কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬ এ ০৮:৩০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
২০ টি শিশু দিবা যত্ন কেন্দ্র শিশু অধিকার, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ নির্দেশিকা
২০টি শিশুদিবাযত্ন কেন্দ্র তথ্য সহায়িকা
সংক্রামক রোগ নির্দেশিকা
৪৩টি শিশুদিবাযত্ন কেন্দ্রর তথ্য
শিশু দিবাযত্ন সেবা:
ভূমিকা:
কর্মজীবী মায়েদের স্ব স্ব কর্মস্থলে নিশ্চিন্তে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে কর্মজীবী মায়েদের শিশুদের দিবাকালীন সেবা প্রদানের লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্র্রণালয়াধীন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে ‘শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র্র’ প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীকালে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক আরও ০৩টি প্রকল্প-(১) ‘কর্মজীবী মহিলাদের শিশুদের জন্য দিবাযত্ন কর্মসূচি’ ১৯৯৭ (২) ‘জেলা শহরের শ্র্রমজীবী মায়েদের শিশুদের জন্য দিবাযত্ন কর্মসূচি ১ম ও ২য় পর্যায় ২০০১ ও ২০০২’ শীর্ষক প্রকল্প এবং ‘নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কর্মজীবী মায়েদের শিশুদের জন্য দিবাযত্ন ২০০৯’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। কর্মজীবী নারীদের শিশুদের একটি নিরাপদ, যত্নশীল এবঙ আরামদায়ক শিক্ষামূলক পরিবেশ দেওয়ার জন্য বর্তমানে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের রাজস্ব বাজেট দ্বারা মোট ৪৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র্র পরিচালিত হচ্ছে।
দিবাযত্ন কেন্দ্রের সংখ্যা : ৪৩টি
সেবার ধরণ:
কর্মজীবী মায়েদের ০৬ মাস হতে ০৬ বছর বয়সী শিশুদের (সরকারি ছুটির দিন ব্যতিত) দিবাকালীন (সকাল ৮:৩০ টা হতে বিকাল ৫:৩০ টা পর্যন্ত) সেবা প্রদান করা হয়। শিশুদের যথাযথ মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রাক-স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি তাদের আবৃত্তি, গান, চিত্রাঙ্কন শিক্ষা প্রদান করা হয় এবং শারীরিক বিকাশে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যাসহ ইনডোর খেলাধুলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
শিশু খাদ্যে পুষ্টি নিশ্চিতকরণে নির্ধারিত খাদ্য তালিকা অনুযায়ী প্রতিটি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে ০৩ বেলা সষুম (সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও বিকালের নাস্তা) খাবারসহ প্রতি মাসে ০১ দিন উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। শিশুদের চিত্তবিনোদনের জন্য টিভি, ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়াও তাদের শিষ্টাচার পালন, নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার ধারণা প্রদান করা হয়।
আসন/সিট সংখ্যা: ২৮৩০টি
দিবাযত্ন কেন্দ্রের অবস্থান:
ঢাকা জেলায় ২৫টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এ সকল কেন্দ্র-কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, আজিমপুর, মগবাজার, যাত্রাবাড়ি (খিলগাঁও), খিলগাঁও, সচিবালয়, রামপুরা, এজিবি, ফরিদাবাদ, মিরপুর, সদর কার্যালয় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর (মবিঅ), কামরাঙ্গীরচর, ডেমরা, বাড্ডা, রাজারবাগ, নাখালপাড়া, উত্তরা, প্লানিং কমিশন, মিরপুর-১০, গাবতলী, সাভার, আদাবর এবং জিগাতলা এলাকায় অবস্থিত।
ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলা শহরে ১৮টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এ সকল কেন্দ্র-টঙ্গী (গাজীপুর জেলা), নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার), ময়মনসিংহ, বগুড়া, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, পাবনা, ফরিদপুর, ফেণী, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
সাপ্তাহিক শিশু খাদ্য তালিকা:
| দিন/বার | সকাল | দুপুর | বিকাল |
| রবিবার | দুধ+পাউরুটি+সিদ্ধ ডিম | ভাত+ডাল+মিক্সড সবজি+মুরগির রেজালা+লেবু+সালাদ | কেক+ যে কোন মৌসুমী তাজা ফল (কলা) [ |
| সোমবার | এগ নুডুলস/দুধ সুজি | ভাত+ডাল+লাল শাক+রুই মাছ+লেবু | পুডিং/মিষ্টি+যে কোন মৌসুমী তাজা ফলের জুস (মাল্টা/কমলা) |
| মঙ্গলবার | দুধ সেমাই + মুড়ি | সবজি খিড়ুড়ি +মুরগির মাংস +সালাদ + লেবু | এগ স্যুপ+ যে কোন মৌসুমী তাজা ফল (আপেল) |
| বুধবার | মুড়ি + পায়েস | ভাত+ডালসবজি (পেঁপে/লাউ)+রুই মাছ+লেবু+শশা | বিস্কুট + কলা |
| বৃহস্পতিবার | ডিম স্যান্ডউইচ/দুধ সুজি | ভাত+ডাল+মিক্সড সবজি+মুরগির রেজালা+লেবু+সালাদ | দই+ যে কোন মৌসুমী তাজা ফলের জুস (আঙ্গুর/ আম/পাঁকা পেঁপে) |
“মহিলাওশিশুবিষয়কমন্ত্রণালয়ের ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন” প্রকল্প।
উদ্যোগী মন্ত্রণালয় - মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
বাস্তবায়নকারী সংস্থা- ক)মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর (লীড এজেন্সী) খ) জাতীয় মহিলা সংস্থা
প্রকল্পের মোট ব্যয় (কোটি টাকায়)
(ক) মোট | : | ২১১.৭১০৮৮ |
(খ) জিওবি | : | ২১১.৭১০৮৮ |
(গ) নিজস্ব অর্থ | : | - |
(গ) অন্যান্য | : | - |
মোট প্রাক্কলিত ব্যয় (কথায়)= দুইশত এগার কোটি একাত্তর লক্ষ আট হাজার আটশত টাকা | ||
প্রকল্পের মেয়াদ
(ক) আরম্ভ | : | জুলাই, ২০২৪ |
(খ) সমাপ্তি | : | জুন, ২০২৭ |
পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাব: | ||
প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যমাত্রা
উদ্দেশ্য:
কর্মজীবী মায়েদের ছোট শিশুদের (৪ মাস থেকে ৬ বছর) নিরাপদ দিবাকালীন সেবা প্রদান করা।
কর্মজীবী মায়েদের ছোট সন্তানদের নিরাপদ দিবাকালীন সেবা প্রদানের মাধ্যমে মায়েদের নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে আয়বর্ধকমূলক কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করা।
লক্ষ্য সমূহ:
বর্তমানে কর্মরত নারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্মজীবী মায়ের শিশুদের দিবাকালীন সেবা প্রদানের জন্য সরকারী ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ দিবাযত্ন কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা।
গার্মেন্টস ও কারখানায় কর্মরত মহিলা শ্রমিকদের শিশুসহ সকল শিশুদের (৪মাস-৬ বছর) নিরাপদে দিবাকালীন সেবা প্রদান।
শিশুদের জন্য সুষম পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ, সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশসহ প্রাক স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, প্রি-প্রাইমারী শিক্ষা, অক্ষরদান, অভ্যন্তরীন খেলাধুলা ও অন্যান্য বিনোদনমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।
অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীদের অধিকহারে নিয়োজিত রাখার লক্ষ্যে তাদের সন্তানদের নিরাপদ দিবাকালীন সেবা প্রদান।
দেশের বিভিন্ন স্থানে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন এর মাধ্যমে কর্মরত নারীদের কর্মস্থলে মনোযোগ নিশ্চিত করা।
অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীদের সম্পৃক্ততার হার বৃদ্ধি পাবে, যা নারী উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি সরাসরি ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সাথে বিশেষভাবে সম্পর্কিত।