কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬ এ ১০:১২ PM

সচেতনা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম

কন্টেন্ট: পাতা

# পরিবীক্ষণ, সমন্বয় সচেতনতা সৃষ্টি শাখার তথ্যাদি

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। যেমন:

১। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ:

  • বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন' ২০১৭ ও বাল্য বিবাহ নিরোধ বিধিমালা-২০১৮ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • বাল্য বিবাহ বন্ধে মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ (জেলা প্রশাসক, উপপরিচালক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

  • জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উঠান বৈঠক, আলোচনাসভা, র‌্যালী ও বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে সচেতনতামূলক প্রচারনা ও মনিটরিংকার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

  • মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির সদস্যদের বাল্য বিবাহের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং তারাও বাল্য বিবাহ বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

  • বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ ও বিধিমালা ২০১৮ সম্পর্কে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে সদর কার্যালয়ে অবহিতকরণ ওয়ার্কশপ করা হয়। ২০২১ সাল থেকে অদ্যাবধি ২৫০ জন কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

২। কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ:

  • কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক প্রদত্ত নীতিমালার আলোকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে একটি Complaint কমিটি রয়েছে।

  • ৬৪টি জেলা ও জেলাধীন উপজেলায় Complaint কমিটি রয়েছে।

  • অধিদপ্তরের নীচতলায় একটি অভিযোগ বাক্স আছে। সংরক্ষিত বাক্সটির অবস্থান সম্পর্কে সকলকে জানানোর জন্য ভবনের প্রতি তলায় ছোট নির্দেশক চিহ্ন সম্বলিত বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।

  • অভিযোগকারী লিখিত, মৌখিক ও টেলিফোনে অভিযোগ প্রদান করতে পারেন।

  • অধিদপ্তরের Complaint কমিটির সভা প্রতি তিন মাস অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।

  • কর্মস্থলে যৌন হয়রানি প্রতিরোধের লক্ষ্যে মহামান্য হাইকোর্ট প্রদত্ত নীতিমালা সম্পর্কে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, সরকারী, বেসরকারী অফিস, ব্যাংক, স্কুল, কলেজ, চিকিৎসক ইত্যাদি বিভিন্ন পেশাজীবীদের সমন্বয়ে ওয়ার্কশপ করা হয়। ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৪৫২ জনকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।

৩। অটিজম বিষয়ক:

  • অটিজম ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজএ্যাবিলিটি সম্পর্কে উপপরিচালক (জেলা) ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাগণ নিয়মিতভাবে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠকের মাধ্যমে উপকারভোগীদের সচেতন করেন।

৪। মানব পাচার প্রতিরোধ:

  • মানব পাচার প্রতিরোধে উপপরিচালক (জেলা) ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তাগণ নিয়মিতভাবে আলোচনাসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে উপকারভোগীদের সচেতন করেন।

# মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জনসংযোগ শাখা হতে বাস্তবায়িত কার্যক্রম ও দিবস উদযাপন

(ক) ৩০শে সেপ্টেম্বর/২০২৫ জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন: কন্যা শিশুর সুরক্ষা, শিক্ষার অধিকার, পুষ্টি, আইনি সহায়তা ও ন্যায় অধিকার, চিকিৎসা সুবিধা ও বৈষম্যরোধ, নির্যাতন থেকে রক্ষা, নারীর বিরুদ্ধে হিংসা ও বাল্যবিবাহ বন্ধে কার্যকর ভূমিকা পালন করার লক্ষ্য নিয়ে এই দিবস উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সদর কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের কন্যাশিশুদের মধ্যে অনুষ্ঠিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারীদের মধ্যে পুরষ্কার এবং অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের সান্ত্বনা পুরষ্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সদর কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা, কর্মচারীদের কন্যাশিশু যারা ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত এস,এস,সি পরীক্ষায় এবং ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত এইচ,এস,সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে তাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

(খ) আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ (২৫ নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর)/২০২৫ পালন): নারী ও শিশুদের প্রতি সকল প্রকার সহিংসতা প্রতিরোধে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ পালন করা হয়।

(গ) ৯ ডিসেম্বর/২০২৫ বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন: বাংলাদেশ নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিভিন্ন অবদানের কথা স্মরণ এবং নারী শিক্ষার প্রসার ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবস এবং বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এ দিবস উপলক্ষ্যে প্রতিবছর ৫ জন মহিয়সী নারীকে নিম্নোক্ত ৫ টি ক্যাটাগরীতে অবদান রাখার জন্য বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করা হয়।

  • নারী শিক্ষা;
  • নারী অধিকার ;
  • নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
  • পল্লী উন্নয়ন;
  • নারী জাগরণে উদ্বুদ্ধকরণ (সরকার কর্তৃক নির্ধারিত যে কোন ক্ষেত্রে)

(ঘ) ১৬ ডিসেম্বর/২০২৫ মহান বিজয় দিবস উদযাপন: মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অধিদপ্তর ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক সরকার নির্দেশিত সকল কার্যক্রম জেলা এবং উপজেলা কার্যালয়ে বাস্তবায়ন নিমিত্তে পত্র প্রদানসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এছাড়াও প্রধান কার্যালয় ভবন, সামনের দেয়াল ও আশপাশের গাছপালা বর্ণিল আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়।

(ঙ) ৮ মার্চ/২০২৬ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন : আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সমতা ও ক্ষমতায়নের সংগ্রামকে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন করা হয়। সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এ এক অনন্য দিন। প্রতি বছর দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ৮ মার্চ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা পালনে নিম্নোক্ত ৫টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় পর্যায়ে ৫ জন সফল নারীকে অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান করা হয়।

  • অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী ;
  • শিক্ষা ও চাকুরীক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী;
  • সফল জননী নারী;
  • নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী;
  • সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী।

উক্ত দিবস উদযাপন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার প্রদান করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন । অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন Mr.Stef Liller, Resident Representative, UNDP, Bangladesh. মিজ ফারজানা শারমীন, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ডা: জোবাইদা রহমান, চিকিৎসক ও সমাজকর্মী। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

#অদম্য নারী পুরস্কার

বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়নের প্রতিটি অধ্যায়ে নারীরা দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে এসেছেন। প্রতিকূলতা, বৈষম্য, সামাজিক বাধা অতিক্রম করে তাঁরা অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজসেবা, মানব কল্যাণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেইসব সাহসী, সংগ্রামী ও বিজয়ী নারীদের চিহ্নিত করে তাঁদের অবদানকে যথাযথ সম্মান, স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণা প্রদানের মাধ্যমে নারীদের অগ্রসর হওয়ার পথ সুগম করার উদ্দেশ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে 'অদম্য নারী পুরস্কার' শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান করে থাকে। এই স্বীকৃতি তাঁদের অনুপ্রাণিত করে, সমাজের আপামর নারীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করে।


প্রতি বছর ৮ মার্চ আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। একজন সংগ্রামী অপ্রতিরোধ্য নারীর প্রতীকী নাম অদম্য নারী।

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে অদম্য নারী নির্বাচন সংক্রান্ত গঠিত কমিটি উপজেলা পর্যায় থেকে ২৪৬৫ জন, জেলা পর্যায়ে ৩২০ জনকে নির্বাচন করে। পরবর্তিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নির্বাচন কমিটি ০৮ (আট) টি বিভাগ হতে ০৫ (পাঁচ) ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত মোট ৩৯ (উনচল্লিশ) জন অদম্য নারীর মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ০৫ জনকে নির্বাচন করে।

যেসব ক্যাটাগরিতে অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান করা হয় সেগুলো হলো।

১) অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী;

২) শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী;

৩) সফল জননী নারী;

৪) নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী;

৫) সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী;

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াকে নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান করা হয়।

জেন্ডার সমতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে দেশব্যাপী অদম্য নারী পুরস্কার কার্যক্রম প্রান্তিক নারীদের অনন্য অবদানের জাতীয় স্বীকৃতি। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের অভিযাত্রায় এই অদম্য নারীরা অমিত অনুপ্রেরণা হয়ে পথ দেখাবেন।

(চ) ২৬ মার্চ /২০২৬মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন: ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অধিদপ্তর ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক সরকার নির্দেশিত সকল কার্যক্রম স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে জেলা এবং উপজেলা কার্যালয়ে বাস্তবায়ন নিমিত্তে পত্র প্রদানসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

(ছ) ২৬ জুন/২০২৫ নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাবেশ: নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২৬ জুন ২০২৫ নারী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সকলে মিলে বাংলাদেশকে নারী ও শিশুর জন্য নিরাপদ করে গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

লাইব্রেরি

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের জনসংযোগ শাখার আওতাভুক্ত লাইব্রেরিতে বিভিন্ন প্রকার পুস্তক, স্মরণিকা, প্রতিবেদন, লিফলেট, ব্রোশিউর, দৈনিক পত্রিকা সংরক্ষণ করা হয়। লাইব্রেরি হতে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর/অধীনস্থ কার্যালয়ে বই ও প্রকাশনা সরবরাহ করা হয়। এছাড়াও সকল দর্শনার্থী ও পাঠকদের জন্য সকাল ৯:০০ টা থেকে বিকেল ৫:০০ টা পর্যন্ত খোলা রাখা হয়। লাইব্রেরি হতে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় ও দপ্তর সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীগণ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রেজিষ্ট্রারে অন্তুর্ভুক্তি পূর্বক বই সংগ্রহ ও পাঠ করতে পারেন।

#অদম্য নারী পুরস্কার

বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও উন্নয়নের প্রতিটি অধ্যায়ে নারীরা দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে এসেছেন। প্রতিকূলতা, বৈষম্য, সামাজিক বাধা অতিক্রম করে তাঁরা অর্থনীতি, রাজনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজসেবা, মানব কল্যাণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন।

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেইসব সাহসী, সংগ্রামী ও বিজয়ী নারীদের চিহ্নিত করে তাঁদের অবদানকে যথাযথ সম্মান, স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণা প্রদানের মাধ্যমে নারীদের অগ্রসর হওয়ার পথ সুগম করার উদ্দেশ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে 'অদম্য নারী পুরস্কার' শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় অদম্য নারী সম্মাননা প্রদান করে থাকে। এই স্বীকৃতি তাঁদের অনুপ্রাণিত করে, সমাজের আপামর নারীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করে।


প্রতি বছর ৮ মার্চ আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। একজন সংগ্রামী অপ্রতিরোধ্য নারীর প্রতীকী নাম অদম্য নারী।

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে অদম্য নারী নির্বাচন সংক্রান্ত গঠিত কমিটি উপজেলা পর্যায় থেকে ২৪৬৫ জন, জেলা পর্যায়ে ৩২০ জনকে নির্বাচন করে। পরবর্তিতে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী নির্বাচন কমিটি ০৮ (আট) টি বিভাগ হতে ০৫ (পাঁচ) ক্যাটাগরিতে প্রাপ্ত মোট ৩৯ (উনচল্লিশ) জন অদম্য নারীর মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ ০৫ জনকে নির্বাচন করে।

যেসব ক্যাটাগরিতে অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান করা হয় সেগুলো হলো।

১) অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী;

২) শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী;

৩) সফল জননী নারী;

৪) নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী;

৫) সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী;

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অদম্য নারী পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেন্ডার সমতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে দেশব্যাপী অদম্য নারী পুরস্কার কার্যক্রম প্রান্তিক নারীদের অনন্য অবদানের জাতীয় স্বীকৃতি। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের অভিযাত্রায় এই অদম্য নারীরা অমিত অনুপ্রেরণা হয়ে পথ দেখাবেন।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন