মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ অক্টোবর ২০১৫

হবিগঞ্জ জেলার সুবিধা বঞ্চিত নারীর জীবন দক্ষতা উন্নয়নের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি

১.

নামঃ

 

হবিগঞ্জ  জেলার সুবিধা বঞ্চিত নারীর জীবন দক্ষতা উন্নয়নের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি।

২.

কর্মসূচির মেয়াদঃ

 

 জুলাই ২০১৫ হতে জুন ২০১৭ পর্যন্ত

৩.

উদ্দেশ্যঃ

 

 

হবিগঞ্জ  জেলার সুবিধা বঞ্চিত নারী গোষ্ঠীর সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য দৈনন্দিন পুষ্টিমান রক্ষা ও প্রজনন স্বাস্থ্য শিক্ষা, স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, এইচআইভি/এইড্স প্রতিরোধ, অধিকার প্রতিষ্ঠা, যৌতুক নিরোধ, বাল্য বিবাহ নিরোধ ও নারী পুরম্নষের বৈষম্যহীন পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক ক্ষমতায়ণ।

৪.

লক্ষ্য

 

মূল লক্ষ্যঃ

সমাজ ও পরিবারে সুবিধা বঞ্চিত নারীর জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে সামাজিক ক্ষমতায়ণের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা।

৫.

 

 

সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সমূহঃ

১.হবিগঞ্জ জেলার ০৪টি উপজেলা- বাহুবল, নবীগঞ্জ,মাধবপুর,  এবং চুনারুঘাট উপজেলার ২৩ টি চা বাগানের নারী শ্রমিকদের (১৮-৪০ বছর) জীবন দক্ষতা মূলক  সচেতনতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের জীবনমান উন্নয়ন।

২. জেলার ০৩টি হাওড় অধ্যুষিত উপজেলা- বানিয়াচং, আজমিরিগঞ্জ, লাখাই এবং  সদর  উপজেলার প্রতিটির ০২টি করে মোট ০৮টি ইউনিয়নে সুবিধা বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া নারী গোষ্ঠীর মধ্যে জীবন দক্ষতা মূলক সচেতনতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষণ।

৩. সংশিস্নষ্ট কমিউনিটি, ইউনিয়ন পরিষদ, প্রশাসন, তথ্য অধিদপ্তর, জন স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত  সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের সাথে লিঙ্কেজ স্থাপন।

৪. সংশিস্নষ্ট কাজে সরকারী বিধি মোতাবেক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের মাধ্যমে চা-বাগান ও হাওড় অধ্যুষিত ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রশিক্ষণ  কার্যক্রম পরিচালনা করা।

৫. উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও ফলো-আপ সভা এবং কর্মশালা করা।

৬. সংশিস্নষ্ট এলাকা ও পর্যায়ে কর্মশালা, সভা, সেমিনার, দলীয় সভা, প্রচার-প্রচারনার মাধ্যমে উদ্বুদ্ধকরণ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।

৭. চা-বাগান ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বাস্তবায়িত কার্যক্রম জেলা ও উপজেলা কমিটি নিয়মিত মনিটর করবে।

৮. সংশ্লিষ্ট উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এবং জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার মাধ্যমে সকল কার্যক্রম সরাসরি তদারকি হবে।

৬.

মোট ব্যয় প্রাক্কলন

 

৪৯৬.০০ লক্ষ টাকা

৭.

মূল কার্যক্রম

 

১। ৪ টি উপজেলা যথাক্রমে বাহুবল, নবীগঞ্জ, মাধবপুর, চুনারুঘাট এর ২৩টি চা-বাগানের ৫০০০ জন (১৮৪০ বৎসর)নারী চা-শ্রমিক নির্বাচন।

২। বানিয়চং আজমেরীগঞ্জ লাখাই ও সদরসহ ০৪টি উপজেলার ০৮টি  ইউনিয়নের ১৬০০ জন উপকারভোগী  নির্বাচন (১৮-৪০ বৎসর) সুবিধা বঞ্চিত নারী

৩। ৬৬০০জন উপকারভোগীকে প্রশিক্ষণ প্রদান।

৪। কর্মসূচির মেয়াদে ২৪টি কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

৫। কর্মসূচির মেয়াদে মোট ৬৬টি  টিউবওয়েল এবং মোট ৬৬০ টি লেট্রিন স্থাপন।

৮.

কর্মসূচি এলাকা

 

হবিগঞ্জ জেলার ৮টি উপজেলা বাহুবল, নবীগঞ্জ, মাবপুর, চুনারুঘাট বানিয়চং আজমেরীগঞ্জ, লাখাই ও সদর উপজেলা।

৯.

 সেপ্টেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত অগ্রগতি।

 

১। প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের জন্য বিজ্ঞপ্তির মধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে EOI পাওয়া গিয়েছে  যা মূল্যায়ণ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে।

২। জেলা ও উপজেলায়  ১ম কিস্তির  অর্থ ন্যস্ত করা হয়েছে।


Share with :

Facebook Facebook